শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
১৫ বিজিবি’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ ও মদ জব্দ উফশী জাতের কলা এ বছর ১শত ২৩হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৫ বিজিবি’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গাঁজা ও ইস্কাফ সিরাপ জব্দ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন লালমনিরহাট এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হলুদ রঙ্গে ফুটেছে সোনালু ফুল মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত ১৫ বিজিবি’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় গাঁজা এবং ইস্কাফ সিরাপ জব্দ মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে জারুল ফুল
ফুয়েল কার্ডের তেল নিতে গিয়ে ইউএনও’র হাতে মার খেলেন মোটর সাইকেলবাহী যুবক

ফুয়েল কার্ডের তেল নিতে গিয়ে ইউএনও’র হাতে মার খেলেন মোটর সাইকেলবাহী যুবক

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় এক মোটর সাইকেলবাহী যুবককে থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)র বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে লালমনিরহাট জেলা জুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের লুবানা ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)র নাম শামিমা আক্তার জাহান। ভুক্তভোগী যুবক নদী একটি গ্যারেজের কর্মচারী।

স্থানীয়রা জানান, চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় তার মোটর সাইকেলে তেল নিতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। পরে তিনি গ্যারেজ মালিক প্রদীপের সহায়তা চাইলে, প্রদীপ তার কর্মচারী নদীকে ফুয়েল কার্ডসহ তেল নেওয়ার জন্য পাম্পে পাঠান। নদী যখন লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন সেখানে তদারকিতে থাকা কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শামিমা আক্তার জাহান তার হাতের কার্ডটি পরীক্ষা করেন। কার্ডের ছবির সঙ্গে নদীর চেহারার মিল না থাকায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই ইউএনও তাকে চপেটাঘাত করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এ ঘটনায় উপস্থিত স্থানীয় জনতা ও ব্যবসায়ীদের তোপের মুখে পড়েন ইউএনও। পরবর্তীতে অসুস্থ কলেজ শিক্ষকের মোটর সাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগকারী নদী বলেন, আমি গ্যারেজ মেকানিক। মালিকের কথায় অসুস্থ এক শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলেই আমাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। আমি কোনো অন্যায় করিনি, বিনা অপরাধে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামিমা আক্তার জাহান থাপ্পড় মারার বিষয়টি অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তার কাছে সঠিক কার্ড ছিল না। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরে তার অভিভাবকরা এলে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone